jilani4you

News

ছাত্রলীছাত্রলীগের দুই পক্ষে ব্যাপক সংঘর&#2509

Posted by k.m.jilani on August 8, 2010 at 2:17 AM

ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকের মধ্যে গতকাল সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে এভাবে ধারালো অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা যায়

 

 

ঘটনার সূত্রপাত: প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আওয়াল কবিরের পক্ষের নয়ন ক্যাম্পাসের ‘টুকিটাকি চত্বরে’ বসে সিগারেট খাচ্ছিলেন। এ সময় সেখানে বসা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের গায়ে সিগারেটের ধোঁয়া লাগে। ওই ছাত্র বিষয়টি সাধারণ সম্পাদকের সমর্থক ছাত্রলীগের কর্মী ফারদিন ও রতনকে জানালে তাঁরা নয়নের সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে আশপাশে থাকা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষের বেশ কিছু কর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে ফারদিনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন নয়ন। পরে বিষয়টি নিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সমঝোতায় বসেন। কিন্তু সমঝোতা হওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ও সভাপতি পক্ষের সমর্থক ২০-৩০ জন লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সেখানে থাকা সাধারণ সম্পাদক পক্ষের সমর্থক ফারদিন, রতন, আজিজ ও তানিমকে ধাওয়া করেন এবং একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের সামনে নর্দমার মধ্যে ফেলে মারধর করে আহত করেন। আহত ফারদিন, আজিজ ও তানিমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার জের ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাদার বখ্শ, শহীদ হবিবুর রহমান ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষের নেতা-কর্মীরা ওই হলগুলোতে সশস্ত্র অবস্থান নেন। খবর পেয়ে সভাপতি পক্ষের সমর্থক ৪০-৫০ জনের একটি দল মাদার বখ্শ ও সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক পক্ষের সমর্থকদের ধাওয়া করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ ও ১০-১২টি গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে।

সভাপতি পক্ষের সমর্থক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র মেহেদী হাসানের হাতে গুলি লাগে। তাঁকেও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষের সময় সাধারণ সম্পাদকের সমর্থক গোলাপ, তুহিন, রতনসহ আরও কয়েকজন তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গোলাপ, রতন ও তুহিন সব সময় অস্ত্র নিয়ে সাধারণ সম্পাদকের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন।

আহত ফারদিন জানান, নয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের গায়ে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়লে তিনি প্রতিবাদ জানান। এতে নয়ন ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দেন। পরে নয়নসহ সভাপতি পক্ষের সমর্থক আরিফ, ডিলস, মোস্তফা ও রকির নেতৃত্বে ২০-৩০ জন কর্মী হাঁসুয়া, চায়নিজ কুড়াল, চাপাতি, রামদা, রড, হকিস্টিকসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘটনাস্থলে এসে তাঁরা ফারদিনকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ছাত্রলীগের অপর দুই কর্মী আজিজ ও তানিমকে ধাওয়া করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনার একপর্যায়ে তাঁদের নর্দমার মধ্যে ফেলে দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে আহত করা হয়।

Categories: None

Post a Comment

Oops!

Oops, you forgot something.

Oops!

The words you entered did not match the given text. Please try again.

Already a member? Sign In

0 Comments

Natok , song & Trajedi

78 views - 0 comments
80 views - 0 comments
85 views - 0 comments
47 views - 0 comments